
বাবুল আক্তার
রমজানে গরুর মাংস বাঙালির ইফতার বা সেহরির পাতে বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। বিশেষ করে সেহরিতে এক টুকরো গরুর মাংস থাকলে খাওয়ার রুচি বাড়ে। তবে এই সময় সুস্থ থাকতে গরুর মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সচেতনতা প্রয়োজন।
সেহরিতে গরুর মাংস খাওয়া যেতে পারে, তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন তা খুব বেশি ঝাল বা মসলাযুক্ত না হয়। অতিরিক্ত মসলাযুক্ত মাংস খেলে সারাদিন বুক জ্বালাপোড়া (acid reflux) হতে পারে এবং তৃষ্ণা বেশি লাগতে পারে। মাংস রান্নায় তেলের পরিমাণ কমিয়ে হালকা ঝোলে রান্না করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। সারাদিন খালি পেটে থাকার পর ইফতারেই ভারী গরুর মাংসের আইটেম (যেমন: ভুনা মাংস বা তেহারি) না খাওয়াই ভালো। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর হঠাৎ উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার হজমে সমস্যা বা পেটে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।ইফতারের কিছুক্ষণ পর বা রাতের খাবারে পরিমিত পরিমাণে মাংস খাওয়া যেতে পারে।
গরুর মাংস খাওয়ার সুফল পেতে রান্নার ধরনে একটু পরিবর্তন আনতে পারেন, রান্নার আগে মাংসের দৃশ্যমান সাদা চর্বিগুলো কেটে ফেলে দিন। পেঁপে, লাউ বা মিষ্টি কুমড়া দিয়ে গরুর মাংস রান্না করলে তা সহজে হজম হয় এবং পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। মাংস অতিরিক্ত কষিয়ে বা ডুবো তেলে ভাজলে এর প্রোটিন গুণাগুণ কমে যায় এবং ক্যালরি বেড়ে যায়। যাদের উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা বা কিডনি জটিলতা আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।গরুর মাংস খাওয়ার পর এক কাপ টক দই বা লেবুর শরবত খেলে হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়।
সম্পাদকঃ মোঃ ইমরুল হক, প্রকাশকঃ মোঃ আরমান হোসেন, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ২৭/বি ১ম কলোনি, মাজার রোড় মিরপুর -১ ঢাকা ১২১৬, সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩নং ওয়ার্ড কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর -১৩৪৬, সম্পাদকঃ ০১৯১০৬৩৭৩২১, প্রকাশকঃ ০১৮৭২৬০৫৩৬২, Email: sottoprokash8643@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক সত্য প্রকাশ. All rights reserved.