ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ না হতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা। এরই ধারাবাহিকতায় কাঠালিয়া উপজেলা সদর ৪নংইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মোঃ নাজমুছ সালেহ্ মামুন আকন নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে।
আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থী মোঃ নাজমুছ সালেহ্ মামুন আকন
ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
মোঃ নাজমুছ সালেহ্ মামুন আকন সমাজ সেবক, তাঁর সঙ্গে কথা বললে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ ও প্রস্তুতির কথা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থী
মোঃ নাজমুছ সালেহ্ মামুন আকন
নীরবে মাঠে নেমে পড়েছেন। সামাজিক ও পারিবারিক নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত উপস্থিতির মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। এ নিয়ে প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যেও আলাপ-আলোচনা ও প্রস্তুতি চোখে পড়ছে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থীর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আরও জোরদার হবে বলে জানান তাঁদের কর্মী-সমর্থকরা।
এ বিষয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী
মোঃ নাজমুছ সালেহ্ মামুন আকন
বলেন, আমি কাঠালিয়া সদর ৪নং ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, নিরাপদ, মডেল ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জনগণের সহযোগিতা পেলে উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে একটি আদর্শ ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হবে আমার লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ নির্মাণ ও সংস্কারের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে, যাতে মানুষের চলাচল সহজ, নিরাপদ ও টেকসই হয়।
শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে গুরুত্ব দিয়ে মামুন আকন বলেন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের আবার স্কুলমুখী করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে প্রতিটি বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। গ্রামে দল-মত নির্বিশেষে সকলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখাকে তিনি অগ্রাধিকার দেবেন বলেও জানান।
পরিবেশ রক্ষায় ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন কার্যক্রম চালু করে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি গ্রামে নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নতুন টিউবওয়েল স্থাপন ও পানির প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিক সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে ডিজিটাল সেবা চালু করা হবে এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসন নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সব ধরনের সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার দ্রুত সমাধানে নিয়মিত গণশুনানি ও সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা চালু করা হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।