প্রিয়া চৌধুরী
রাজধানীর মুগদা-মানিকনগর এলাকায় কথিত মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রিপন ও তার স্ত্রী রুমাকে আটকের দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের আগেই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রিপন পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মানিকনগর বসুন্ধরা এলাকায় রিপনের নামে একটি দোকান থাকলেও সেখানে দৃশ্যমান কোনো বৈধ ব্যবসা পরিচালিত হতো না। অভিযোগ অনুযায়ী, দোকানটিকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে মাদক বিক্রি, দেহব্যবসা, হানিট্র্যাপ, চড়া সুদে অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো।
এলাকাবাসীর আরও দাবি, সরকারি রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির সময় সেখান থেকে ইট-পাথর অবৈধভাবে এনে দোকানের পাশে মজুত রাখা হতো এবং বাইরে থেকে ইট, বালু ও সিমেন্টের ব্যবসার প্রচার চালানো হতো।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, দোকানের পাশে কথিত "খাজা বাবার আস্তানা" নামে একটি অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে স্থানীয়দের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হতো। তাদের নামে মুগদা থানায় রয়েছে মামলা ও একা দিক অভিযোগ কিছুদিন পূর্বে মানিকনগর বুসের গলি হইতে ৩২ কেজি গাঁজা ও একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয় সেই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের মধ্যে তাহার স্ত্রী রুমা এলাকাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রিপন ও রুমার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তারা দাবি করেন, অল্পবয়সী স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাদকের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছিল এবং দরিদ্র ও অসহায় কিছু কিশোরকে ব্যবহার করে মাদক বিক্রি করা হতো। এসব কারণে এলাকায় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও জানান তারা।
স্থানীয়দের দাবি, গতকাল রাত প্রায় ৯টার দিকে রিপন ও রুমাকে তাদের দোকানের ভেতরে কথিত মাদক বিক্রির সময় হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করা হয়। এ সময় রুমা দৌড়ে পালিয়ে যান। রিপনকে আটক করলে তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন বলে অভিযোগ করেন উপস্থিত লোকজন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার উদ্যোগ নেয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, মুগদা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতির একপর্যায়ে রিপন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মুগদা থানার পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে রিপন ও রুমার বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।
সম্পাদকঃ মোঃ ইমরুল হক, প্রকাশকঃ মোঃ আরমান হোসেন, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ২৭/বি ১ম কলোনি, মাজার রোড় মিরপুর -১ ঢাকা ১২১৬, সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩নং ওয়ার্ড কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর -১৩৪৬, সম্পাদকঃ ০১৯১০৬৩৭৩২১, প্রকাশকঃ ০১৮৭২৬০৫৩৬২, Email: sottoprokash8643@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক সত্য প্রকাশ. All rights reserved.