
বর্ষার নতুন পানি মাঠে প্রবেশ করায় সবুজ ঘাসের জমি পানির নিচে চলে গেছে। ফলে গরু-ছাগলের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য না পেয়ে অনেক খামারিকে হাঁটুসমান পানিতে নেমে কচুরিপানা ও পানিতে তলিয়ে থাকা ঘাস সংগ্রহ করে পশুকে খাওয়াতে দেখা যাচ্ছে। এতে যেমন কষ্ট বাড়ছে, তেমনি পশুর স্বাস্থ্যঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্থানীয় খামারিরা জানান, বর্ষার কারণে চারণভূমির সব ঘাস ডুবে গেছে। বাজারে খড়, ভুষি ও অন্যান্য গো-খাদ্যের দামও অনেক বেড়ে গেছে। বর্তমান দামে এসব খাদ্য কিনে গবাদিপশুকে নিয়মিত খাওয়ানো তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই তারা গরু-ছাগল নিয়ে পানিতে নেমে কচুরিপানা ও ডুবে থাকা ঘাস খাওয়াচ্ছেন।
এক খামারি বলেন, “গরুর খাবারের দাম এত বেশি যে কিনে খাওয়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে পানিতে নেমে যা পাচ্ছি, তাই খাওয়াতে হচ্ছে।”
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, “বর্ষা মৌসুমে চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে গো-খাদ্যের সংকট দেখা দেয়। এ সময় কৃষকদের আগেই সংরক্ষণ করা খড় ও ঘাস ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পানিতে ডুবে থাকা বা পচা ঘাস গবাদিপশুকে খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এতে পশুর পেটে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে।
তিনি আরও জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে বন্যা ও দুর্যোগকালীন সময়ে খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা এবং গবাদিপশুর সুরক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যাতে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হয়।
বর্ষা মৌসুমজুড়ে গো-খাদ্যের সংকট নিরসনে সরকারি সহায়তা ও সহজলভ্য খাদ্যের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তাড়াশের খামারিরা।
সম্পাদকঃ মোঃ ইমরুল হক, প্রকাশকঃ মোঃ আরমান হোসেন, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ২৭/বি ১ম কলোনি, মাজার রোড় মিরপুর -১ ঢাকা ১২১৬, সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩নং ওয়ার্ড কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর -১৩৪৬, সম্পাদকঃ ০১৯১০৬৩৭৩২১, প্রকাশকঃ ০১৮৭২৬০৫৩৬২, Email: sottoprokash8643@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক সত্য প্রকাশ. All rights reserved.