প্রিয়া চৌধুরী
রাজধানীর মুগদা থানা এলাকায় প্রকাশ্য মাদক বেচাকেনা নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক ব্যবসায়ী লতা ও তার পুরো পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এই মাদক ব্যবসায়ীর সাথে জড়িত মানিকনগর পাকা রাস্তার পাশের গলির ভেতরে লতার একটি গ্যারেজ রয়েছে এবং এই গ্যারেজের আড়ালেই চলছে মাদক ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে যুব সমাজের কাছে হাত বাড়ালে মিলছে বিভিন্ন ধরনের মাদক অভিযোগ রয়েছে এলাকার আশপাশসহ একাধিক ‘হটস্পট’-এ, দিনের পর দিন ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা চলে অভিযোগ উঠে এসেছে বরাবর পুলিশের অভিযান চললেও তাদের চোখে ফাঁকি দিয়ে চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা এতে পুলিশের নজরদারি ও দায়িত্ব পালনের প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মানিকনগর বালুর মাঠ থেকে শুরু করে পুরো এলাকা জুড়ে রয়েছে লতার মাদকের সিন্ডিকেট কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় লতা মাদক বিক্রি করে আসছে লতার নামে মুগদা থানায় একাধিক মাদক মামলা যদি ও মাদক সহ পুলিশ ধরে নিয়ে আসলে জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে পুনরায় আবার শুরু করে তার এই অবৈধ মাদক ব্যবসা। একি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখে শোনা যায় মাদক ব্যবসায়ী লতার নামে। মানিকনগরে জমি কেনা রয়েছে ব্যাংকে মোটা অংকের টাকা ও গড়েছে শ্বশুরবাড়ি নিজস্ব স্থান-বাড়ি তার ঘরের আসবাবপত্র এত পরিমানের দামি যা কোন ধনী ব্যক্তিদের ঘরে নেই এই অবৈধ সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। পরিচিত এলাকায়ও মাদক আখড়া সক্রিয় রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিন এসব এলাকায় লাখ লাখ টাকার মাদক বিক্রি হয়। মাদকের সহজলভ্যতায় তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে। অনেক উঠতি যুবক ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। প্রায় প্রতিরাতেই এসব আসরকে কেন্দ্র করে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আরও অভিযোগ উঠেছে, মাদক চক্র প্রতিদিন , কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের এবং এক গথিত সাংবাদিকে নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছি সাপ্তাহিক লতা স্পট
থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকে সব স্পট বন্ধ থাকলেও লতার স্পট সব সময় চলমান সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মাদক কারবারিদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী বিক্রেতারা অবস্থান নেয়—এ তথ্য স্থানীয়দের কাছে এখন ‘ওপেন সিক্রেট’। তবুও নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি বা ধারাবাহিক অভিযানের দৃশ্যমান রয়েছে তবুও প্রমাণ নেই বলে অভিযোগ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য প্রতিদিন একই মুখ, একই জায়গা। ক্রেতা আসে, নেয়, চলে যায়। পুলিশ মাঝে মাঝে দেখা যায়, কিন্তু এই জায়গাগুলোতে কোনো তৎপরতা নেই। আরেক বাসিন্দার দাবি,
“ছোটখাটো অভিযানে দু-একজন ধরা পড়লেও মূল হোতারা অধরা থেকে যায়। এতে সন্দেহ বাড়ছে—আসলে কি বড়দের ধরার সদিচ্ছা আছে? যুবসমাজ ঝুঁকিতে, বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা
অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদকের সহজলভ্যতায় কিশোর-যুবরা ঝুঁকিতে পড়ছে। সন্ধ্যার পর অনেক পরিবার চলাচল সীমিত করছে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে দাবি করেছে, “অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে”—কিন্তু কবে, কীভাবে এবং কার বিরুদ্ধে—সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই।
প্রশ্নগুলো থেকেই যায় চিহ্নিত হটস্পট জানা থাকা সত্ত্বেও কেন ধারাবাহিক অভিযান নেই?
কেন বারবার ছোট মাছ ধরা পড়ে, বড়রা অধরাই থাকে?
নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তথ্য থাকা সত্ত্বেও কেন দৃশ্যমান ফল নেই? এলাকাবাসী দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত, ধারাবাহিক অভিযান ও ফলাফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। তারা পুলিশ সদর দপ্তর ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সম্পাদকঃ মোঃ ইমরুল হক, প্রকাশকঃ মোঃ আরমান হোসেন, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ২৭/বি ১ম কলোনি, মাজার রোড় মিরপুর -১ ঢাকা ১২১৬, সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩নং ওয়ার্ড কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর -১৩৪৬, সম্পাদকঃ ০১৯১০৬৩৭৩২১, প্রকাশকঃ ০১৮৭২৬০৫৩৬২, Email: sottoprokash8643@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক সত্য প্রকাশ. All rights reserved.