ফকির লালন শাহ ছিলেন বাংলা ভাষার একজন মুসলিম-হিন্দু বাউল সাধক
মোঃ বাবুল আক্তার, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় :
শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
১৪০
০০ বার পড়া হয়েছে
ইঞ্জিনিয়ার বাবুল আক্তার
ফকির লালন শাহ ছিলেন বাংলা ভাষার একজন মুসলিম-হিন্দু বাউল সাধক, মিস্টিক, গান ও দার্শনিক। তিনি ধর্ম, বর্ণ, সমাজবিভাজন ও কुरीদের প্রতি সমতা ও মানবতার গানে ও ভাবনায় উত্থাপন করেছিলেন। তার মৃত্যু হয় ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর। বাংলা তারিখে তাঁর মৃত্যু পালিত হয় ১লা কার্তিক (১৪৩২ বঙ্গাব্দে) হিসাবে। ১৩৫তম তিরোধান (২০২৫) — উদযাপন ও পরিকল্পনা, ২০২৫ সালে লালন শাহের ১৩৫তম তিরোধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত আয়োজন ও তথ্য পাওয়া গেছে:
তারিখ ও সময়, মূল উৎসব হবে ১৭–১৯ অক্টোবর ২০২৫ (বাংলা ১–৩ কার্তিক ১৪৩২) উৎসবগুলোর উদ্বোধন, আলোচনা সভা, গান ও মেলা ইত্যাদি তিন দিনব্যাপী হবে। আয়োজন ও কর্মকাণ্ড,এই বছর প্রথমবার জাতীয়ভাবে লালন স্মরণোৎসব (Lalon Utshab) পালন করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়া (Cheuria) আখড়াবাড়িতে প্রধান অনুষ্ঠান হবে, মেলা, সাধুসঙ্গ, আলোচনা সভা, গান, শিল্পীদের পারফর্মেন্স ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকাতেও একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হবে ১৮ অক্টোবর Suhrawardy Udyan-এ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বা সভাপতিরা, এবং আলোচক হিসেবে অনেকে অংশ নেবেন যেমন গায়ত্রি চক্রর্বর্তী স্পিভাক, ফারহাদ মাজার ও অন্যান্য অবদায়করা। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও লালন একাডেমী মিলিতভাবে এই কার্যক্রম রূপ দিয়েছে। স্লোগান ও বক্তব্য, এবারের মূল স্লোগান:
“মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবে” (If you love people, you will become a worthy person) সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৭ অক্টোবরকে এখন থেকে লালন শাহের মৃত্যুবার্ষিকী “ক” শ্রেণীর জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব রয়েছে। অন্যান্য তথ্য ও প্রস্তুতি, কুষ্টিয়া জেলা সরকারের একটি বিজ্ঞপ্তিতে মেলার মাঠ ইজারা দেওয়ার নোটিস দেওয়া হয়েছে।
ভারতের হাইকমিশনও “লালন সন্ধ্যা” নামে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে, যেখানে ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন ও লালনের ভাবনায় উদ্বুদ্ধ অনুষ্ঠান হয়েছে। হাজার হাজার ভক্ত, বাউল, সাধু ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।