
সত্য প্রকাশ ডেস্ক
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজাপুর পূর্বপাড়ায় সরকারি রাস্তা জায়গা থেকে বেশ কয়েকটি মেহগনি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে শিমুল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শিমুল রাজাপুর পূর্ব পাড়া গ্রামের আক্কাস মিয়ার ছেলে।
৬ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সরকারি রাস্তার পাশের মেহগনি কাজ কেটে দুইটা নসিমনে তোলা হচ্ছে। গাছের গুড়িগুলো নসিমনের তোলার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান শিমুল নামের এক ব্যক্তি গাছগুলো বিক্রি করেছেন।
ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের উপস্থিতির সংবাদ পেয়ে শিমুলের পরিবারের লোকজন সেখানে উপস্থিত হন। তাদের ভাষ্য, রাস্তার পাশের গাছ তারা লাগিয়েছেন এবং তারা বিক্রি করেছেন।
ঘটনার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে এক ব্যক্তি মোটরসাইকেল যোগে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের ছবি ফুটেজ এবং তথ্য সংগ্রহে বাধা দেন। সংবাদ প্রচার না করা এবং ডিভাইস থেকে ছবি এবং ভিডিও মুছে ফেলার করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। অন্যথায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করারও হুমকি প্রদান করেন। কর্তব্যরত সাংবাদিককে ভুয়া সংবাদিক আখ্যা দিয়ে ৫০০ টাকায় এরকম কার্ড বানানো যায় বলে মন্তব্য করেন।
জানা যায় হুমকি প্রদানকারী ওই ব্যক্তির নাম আফসার মোল্লা । তিনি রাজাপুর চরপাড়া গ্রামের জয়নাল মোল্লার ছেলে এবং রাজাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার(দায়িত্বপ্রাপ্ত) মহম্মদপুর বনি আমিন মুঠোফোনে জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি, অত্র ইউনিয়নের তহসিলদারকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ সরকারি সম্পত্তি তসরুপ করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান প্রশাসনের এই কর্মকর্তা।
আত্র ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত তহসিলদার কামরুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, যে জায়গা থেকে গাছ কাটা হয়েছে সেটা আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে যে সরকারি রাস্তার গাছ। তার পরেও সার্ভেয়ার দিয়ে মেপে নিশ্চিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
উপজেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজাপুর ক্যাম্প থেকে পুলিশ গিয়ে একটি নসিমন বোঝাই কাঠের গুড়ি জব্দ করেছে বলে জানা যায়।