1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে প্রশাসনের উদ্যোগ, অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময় সভা ভেড়ামারার গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যাস্ততম সড়ক হাসপাতাল রোডের বেহাল দশা আশুলিয়া দুস্থ মহিলাদের প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন বিতরণ কাশিমপুরে নকল ফোম কারখানাসহ তিন প্রতিষ্ঠানে অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ৪০ হাজার কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ ভেড়ামারা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে শরিফের প্রার্থিতা ঘোষণা, দোয়া ও সমর্থন কামনা ভেড়ামারা থানা পুলিশ কর্তৃক ০৮ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১৮০০ গ্রাম গাজাসহ গ্রেফতার ২ জন কুষ্টিয়ায় পুলিশের সাইবার সেলের সাফল্য: উদ্ধার ৪৫ হারানো মোবাইল সাভারে জুলাই শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড

সীমান্ত পথে মাদকের হানা: ঝুঁকির মুখে কুষ্টিয়া

বাবুল আক্তার, নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩১ ০০ বার পড়া হয়েছে

ইঞ্জিনিয়ার বাবুল আক্তার

 

 

​ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কুষ্টিয়া জেলা বর্তমানে মাদক চোরাচালানের অন্যতম রুট হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার সাথে কুষ্টিয়ার দীর্ঘ সীমান্ত এলাকা থাকায় এই জনপদকে মাদকের ‘সেফ প্যাসেজ’ হিসেবে ব্যবহার করছে অপরাধী চক্র। সীমান্তের সুযোগ নিচ্ছে কারবারিরা। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রায় ৪২ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা রয়েছে। এর একটি বড় অংশ দুর্গম চরাঞ্চল এবং কাঁটাতারবিহীন। মূলত এই অরক্ষিত সীমান্ত পথ ব্যবহার করেই ভারত থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল, ইয়াবা, হেরোইন এবং বর্তমানের আলোচিত মাদক ‘ক্রিস্টাল মেথ’ বা আইস।

সীমান্তের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল এবং মাথাভাঙ্গা নদীর গতিপথ চোরাকারবারিদের চলাচলের পথ সুগম করে দিচ্ছে। কুষ্টিয়া থেকে সড়ক ও রেলপথের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীরা খুব সহজেই এখান থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে। সীমান্ত ঘেঁষা গ্রামগুলোর সাধারণ মানুষকে অনেক সময় প্রলোভন দেখিয়ে বাহক হিসেবে ব্যবহার করছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) এবং পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালিয়ে বড় বড় মাদকের চালান জব্দ করছে। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শুধু ধরপাকড় নয়, বরং মাদক আসার মূল উৎসগুলো বন্ধ করা এবং সীমান্তে নজরদারি আরও আধুনিক করা প্রয়োজন।

সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে আমরা সজাগ রয়েছি। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে এবং নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।  (নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সম্ভাব্য বক্তব্য), মাদকের সহজলভ্যতার কারণে কুষ্টিয়ার তরুণ প্রজন্ম চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, সীমান্ত দিয়ে মাদকের এই অনুপ্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সামাজিক অবক্ষয় আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।