1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার

মোঃ পারভেজ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১২৩ ০০ বার পড়া হয়েছে
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাপ-পিরিচ প্রতিকের সাইফুল ইসলাম ফিরোজের দুটি নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর ও হেলাই গ্রামের দুটি নির্বাচনী অফিসে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা জানায়, রাত ৮ টার দিকে ৪টি মোটরসাইকেলে ৮ জন নিশ্চিন্তপুর এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালায়। এ সময় তাদের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। অতর্কিত হামলা চালিয়ে অফিসের টেবিল, চেয়ার ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়। এরপর অফিসের মধ্যে একটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। কিন্তু সেটি অবিস্ফোরিত থাকে। পরে পুলিশ এসে একটি ককটেল উদ্ধার করে।
অন্যদিকে ৮ জনের একটি দল পৌরসভার হেলাই গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালায়। অফিসে থাকা চেয়ারগুলো ভাংচুর করে দ্রুত মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায় তারা। এ সময় স্থানীয়রা দুইজনকে চিনে ফেলে।
হেলাই গ্রামের স্থানীয় যুবক নুর ইসলাম বলেন, রাত ৮ টার দিকে মতিয়ার ও মোশাররফসহ আমরা তিনজন কাপ-পিরিচ প্রতিকের নির্বাচনী অফিসে বসে ছিলাম। হঠাৎ ৪টি মোটরসাইকেলে ৮ জনের একটি দল এসে অফিসে ভাংচুর করে। এদের মধ্যে দুইজনকে চেনা গেছে। তারা ফয়লা গ্রামের শাওন ও মুন্না।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, বৃহস্পতিবার ফুরসন্দি ও ঘোড়শাল ইউনিয়নে ছিলাম। হঠাৎ শুনি নিশ্চিন্তপুর ও হেলাই গ্রামের দুটি অফিস ভাংচুর করা হয়েছে। স্থানীয়রা তাদের চিনে ফেলেছে। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হবে। আমার সমর্থকরা সর্বোচ্চ ধৈর্য্যরে পরীক্ষা দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী রাশেদ খানের মোবাইলে ফোন দিলে রিসিভ করেন রাকিব হোসেন নামে এক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে পিএস পরিচয় দেন। তিনি বলেন, ১০ মিনিট পরে ফোন দিয়ে কথা বলিয়ে দেওয়া যাবে। তিনি ব্যস্ত আছেন।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের দুটি অফিসে কেউ না থাকায় ভাংচুর করেছে। এছাড়া একটি অফিসের মধ্য থেকে কালো টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি জর্দার কৌটা উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি ককটেল কিনা পরীক্ষার পর বলা যাবে। খবর শোনা মাত্রই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অফিস দুটি পরিদর্শন করেছেন।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।