1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে প্রশাসনের উদ্যোগ, অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময় সভা ভেড়ামারার গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যাস্ততম সড়ক হাসপাতাল রোডের বেহাল দশা আশুলিয়া দুস্থ মহিলাদের প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন বিতরণ কাশিমপুরে নকল ফোম কারখানাসহ তিন প্রতিষ্ঠানে অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ৪০ হাজার কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ ভেড়ামারা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে শরিফের প্রার্থিতা ঘোষণা, দোয়া ও সমর্থন কামনা ভেড়ামারা থানা পুলিশ কর্তৃক ০৮ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১৮০০ গ্রাম গাজাসহ গ্রেফতার ২ জন কুষ্টিয়ায় পুলিশের সাইবার সেলের সাফল্য: উদ্ধার ৪৫ হারানো মোবাইল সাভারে জুলাই শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড

তিতাসে ছোট ভাইয়ের অতিষ্টে  বর ভাইয়ের বিষ পানে মৃত্যু

মোঃ হানিফ মিয়া, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৯৮ ০০ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
কুমিল্লা জেলা তিতাস উপজেলার ৬ নং ভিটিকান্দি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড হরিপুর গ্রামে মনিদ্র চন্দ্র দাসের ছেলে শ্যামল দাস ছোট ভাই মিঠু চন্দ্র দাসের অতিষ্টে বিষপানে মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে ১৩ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে হরিপুর গ্রামের শ্যামল দাসের নিজ ঘরে বিষ পান করে মৃত্যু হয়।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়,নিহত শ্যামল দাসের স্ত্রী রুপা রানী দাস বলেন,আমার দেয়র মিঠু দাস গত ১১ ফেব্রুয়ারী বুধবার আমার ঘর ভাঙচুর করিলে আমার শশুর মনিদ্র চন্দ্র দাস এর নিকট বিচার দিলে কোন বিচার করে নাই। ওল্টা আমার স্বামী ও আমাকে মারধর করেছে আরো কয়েকবার। আমার ঘরটি ডিল মেরে ঘরের বেলকি বেলকি ভেঙে ফেলে। আমার স্বামী বিচার না পেয়ে অন্যযায়গা যাওয়ার সিন্ধান্ত নেয়।শুক্রবার দুপুরে আমাকে বলে তোমাকে মারবে তুমি সামনে যাও আমি আসতেছি। আমি যখন সামনে গেলাম তখনই খবর আসে তোমার স্বামী বিষ খেয়েছে।তৎক্ষনাৎ আমি এসে প্রথমে রায়পুর নেই।তারপর তারা অন্যযায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য বললে নেওয়ার পথে মারা যায়।
নিহত শ্যামল দাসের স্ত্রী আরো জানান,আমার শশুর মনিদ্র চন্দ্র দাস ও তাহার ছোট ছেলে মিঠু দাস অতিষ্ট করে মেরে ফেলেছে। মিঠু মদ,ইয়াবা খেয়ে আমাকে ও আমার স্বামীকে অতিষ্ট করে ফেলেছ।
 নিহত শ্যামল চন্দ্র দাসের বয়স ৩২ বছর,তাহার ৩ ছেলে বড় ছেলে রুদ্র চন্দ্র দাস(১২),২য় ছেলে ঋতিক চন্দ্র দাস(১০) ও রাজ চন্দ্র দাস।
আমার এই তিন ছেলে কে নিয়ে কিভাবে চলবো কোথায় যাবো।
বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারী…
১৩ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার..আনুমানিক ৬ টার পর বিষপানে…মৃত্যু হয়।
সরজমিনে এসে জানা যায়,নিহত শ্যামল দাসের স্ত্রী রুপা রানী দাস জানান…
আমার তিন ছেলে।
আমার সাথে সবসময় দূর ব্যবহার ও আমার ঘর ডিল মেরে বাঙচুর করেছে।
শুক্রবার বিকেলে বিচার না পেয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে এমন সিন্ধান্ত নিয়েছে আমি জানতাম শুধু।কিন্ত আমাকে বলে তুমি ঐখানে যাও আমি আসতেছি।হঠাৎ আমার নিকট খবর আসে তোমার জামাই বিষ খেয়েছে।আমি দৌড়ে এসে দেখি মৃত্যুর সয্যায়।তৎক্ষনাৎ আমি ও এলাকার সহযোগিতায় প্রথমে রায়পুর নিয়ে যাই তারপর সেখান থেকে নেওয়ার সময় মৃত্যু হয়।
আমার স্বামী কে বাঁচানোর জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় আমার শশুর শাশুরি কেউ সাথে যায় নি।
আমি জানতামনা আমার স্বামীর  আজ শেষ দিন।আমার স্বামী বিচার না পেয়ে এই আত্মহত্যা করার পথ বেঁচে নেন।
এর জন্য দ্বায়ী আমার শশুর মনিদ্র চন্দ্র দাস পিতা:মৃত:রাজ বিহারী দাস,মাতা:মৃত:সারুবালা।তাহার নিকট বিচার দিয়ে বিচার না পেয়ে অতিষ্ট হয়ে এই কাজ করে।
ঘটনাস্থলে তিতাস থানা পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করতে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে সঠিক তথ্য অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।