1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

অমর একুশে: রক্তে ভেজা বর্ণমালা

মোঃ বাবুল আক্তার, নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪০ ০০ বার পড়া হয়েছে

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

 

 

২১শে ফেব্রুয়ারি আমাদের অস্তিত্বের শেকড়, আমাদের গর্বের অমর একুশে। এই দিনটি কেবল ক্যালেন্ডারের পাতায় লাল রঙে চিহ্নিত একটি তারিখ নয়, বরং এটি একটি জাতির ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প।

​১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার আর শফিউরের রক্তে। মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে তারা যে আত্মত্যাগ করেছিলেন, তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।

​দেশভাগের পর থেকেই বাঙালির ওপর উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। কিন্তু শোষকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা গর্জে ওঠে। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করা হয়, যার শেষ পরিণতি ছিল গুলিবর্ষণ এবং আমাদের বীর ভাইদের শাহাদাত বরণ।

​বায়ান্নর এই আন্দোলনের মধ্যেই নিহিত ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ। বর্ণমালার অধিকার রক্ষার লড়াই ক্রমান্বয়ে রূপান্তরিত হয় অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে, যা ১৯৭১ সালে আমাদের এনে দেয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র।

​১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আজ সারা বিশ্বের মানুষ এই দিনে নিজের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এটি আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি সকল বিপন্ন ভাষা রক্ষার এক বৈশ্বিক অঙ্গীকার।

​একুশ মানে মাথা নত না করা। আজকের দিনে আমাদের শপথ হওয়া উচিত: শুদ্ধ ভাষা চর্চা: প্রাত্যহিক জীবনে বাংলা ভাষার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা।​ সংস্কৃতি রক্ষা: ভিনদেশী সংস্কৃতির দাপটে নিজেদের ঐতিহ্যকে হারিয়ে যেতে না দেওয়া। দেশপ্রেম: একুশের আত্মত্যাগকে হৃদয়ে ধারণ করে দেশের উন্নয়নে শামিল হওয়া।​”আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?” এই গানটি কেবল সুর নয়, এটি বাঙালির হৃদস্পন্দন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।