
নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর তথা কালিয়াকৈরের মা–মাটি–মানুষের জনপ্রিয় নেতা, কেন্দ্রীয় সদস্য (জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন রিসার্চ সেল) এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী-এর বিরুদ্ধে কথিত ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ দেওয়ায় ফুঁসে উঠেছে কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। নির্বাচন চলাকালে তিনি ধানের শীষকে বিজয়ী করতে দলীয় নেতাকর্মীদের সুসংগঠিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন এবং গাজীপুর জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়ে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এমন অবস্থায় একটি পক্ষ তার জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক শক্তিকে ভয় পেয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে বলে দাবি করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেছেন তারা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তারা ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে কথিত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছেন এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছেন।
ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদের বক্তব্য এ বিষয়ে ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, আমার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন এবং তিনি বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আজীবন দলকে প্রতিষ্ঠিত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন। আমি তার সন্তান হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন,
“আমি যেদিন থেকে গাজীপুর জেলা বিএনপির দায়িত্বে এসেছি, সেদিন থেকেই একটি শক্তিশালী কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এর আগেও তারা নানা অপচেষ্টা চালিয়েছে, কিন্তু সফল হয়নি। এবারও নতুন করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ দৃঢ় কণ্ঠে বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারা আওয়ামী লীগের আশ্রয়ে এতদিন কালিয়াকৈর ও গাজীপুরে প্রভাব বিস্তার করে এসেছে, তা এখানকার মানুষ খুব ভালো করেই জানে। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগে কোনো কিছুই হবে না—ইনশাআল্লাহ।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, গাজীপুর ও কালিয়াকৈরে ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকীর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। সেই জনপ্রিয়তাকে ভীত করতেই একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। তারা অবিলম্বে এই ষড়যন্ত্র বন্ধের পাশাপাশি দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।