1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভেড়ামারায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান

অন্ধকার মাতামুহুরি সেতুতে ছিনতাই-ডাকাতির থাবা, দিশেহারা যাত্রীরা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৫ ০০ বার পড়া হয়েছে

 

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি

 

 

 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরি সেতুতে দীর্ঘদিন ধরে সড়কবাতিগুলো অচল হয়ে রয়েছে। নির্মাণের পর থেকেই সেতুর বাতিগুলো একে একে নিভে গেছে, কিন্তু আজও সেগুলো মেরামত করা হয়নি। ফলে রাতের বেলায় পুরো সেতুটি অন্ধকারে ডুবে থাকে, আর সেই সুযোগে ঘটে চলেছে ছিনতাই, ডাকাতি এমনকি হত্যার মতো ঘটনাও।

স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলাচল করে। এসব যানবাহনকে বাধ্যতামূলকভাবে মাতামুহুরি সেতু দিয়েই পার হতে হয়। এছাড়া চকরিয়া পৌর শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা নিয়মিত হেঁটে এই সেতু পারাপার করেন। কিন্তু সেতুর বাতিগুলো নিভে থাকায় সন্ধ্যার পর পথচারীরা আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল বলেন, “সেতুতে আলো না থাকায় সন্ধ্যার পর ভয় নিয়ে চলাচল করতে হয়। অনেক সময় মোটরসাইকেল বা গাড়ি থামিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটে। কয়েকবার স্থানীয়ভাবে বিষয়টি জানিয়েও কোনো সমাধান মেলেনি। কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত সড়কবাতিগুলো সচল করে, তাহলে মানুষ স্বস্তিতে চলাচল করতে পারবে।”

আরেক বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “এ সেতুটি চকরিয়ার অন্যতম ব্যস্ততম জায়গা। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই পথে যাতায়াত করে। কিন্তু আলো না থাকায় শুধু ভয় নয়, দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থেকে যায়। বিশেষ করে বৃষ্টির রাতে অন্ধকারে কিছু দেখা যায় না, তখন ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।”

পৌর শহরের ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, “আমরা প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে দোকানে যাই। আগেও এখানে কয়েকবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। আলো না থাকায় পুলিশের টহল গাড়িগুলোও ঠিকমতো নজরদারি করতে পারে না।”

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, বিষয়টি একাধিকবার সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, “মাতামুহুরি সেতুর বাতিগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে—বিষয়টি জানা আছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন ও সওজ বিভাগ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে সেতুর বাতিগুলো সচল করবে, যাতে অন্ধকারের সুযোগে আর কেউ অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।