
এ এস এস সাদেকুল ইসলাম
মুক্তাগাছায় কিছু শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বন্ধুবান্ধবের জন্মদিন উদযাপন করতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আতিকুল ইসলামের হাতে ধরা পড়েছেন। ঘটনাটি ঘটে (মঙ্গলবার) ১১ ই নভেম্বর সকালে মুক্তাগাছা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পাশে অবস্থিত “ধীরে বহে নামক মুক্তাগাছা শিশু পার্কে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই সময় পার্কে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আড্ডা দিতে দেখা যায়। তারা আব্বাছিয়া কামিল মাদ্রাসা ও মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়ে পার্কে অবস্থান না করার নির্দেশ দেন।
ঘটনার ভিডিও ইউএনও তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ করলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের মন্তব্যে মিশে যায় নানা প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ শিক্ষার্থীদের ওপর কঠোর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানান, আবার কেউ বলেন, এদের কাছ থেকে ভালো ফলাফল আশা করাটা বোকামি।
এ বিষয়ে ইউএনও আতিকুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়ে কোনো শিক্ষার্থী পার্কে বা অন্য কোথাও আড্ডা দিতে পারবে না। অনেকেই প্রাইভেট টিউশনের অজুহাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে পার্কে সময় নষ্ট করছে, এটা বন্ধ করতে হবে।
তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন “সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়ে সকল প্রকার প্রাইভেট টিউশন বন্ধ থাকবে।
এবং কেউ নির্দেশনা অমান্য করলে এবং তাতে কোনো বিপত্তি ঘটলে, তার জন্য কোনো ধরণের রাজনৈতিক সমর্থন বা ফন্দি-ফিকির কার্যকর হবে না বলেও হুশিয়ারি দেন।
এদিকে, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলার সময় পার্কটি বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।”