1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

লিবিয়ায় নির্যাতনের মূলহোতা কুমিল্লার আশরাফ–বাহার

সত্য প্রকাশ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৪ ০০ বার পড়া হয়েছে

 

সত্য প্রকাশ ডেস্ক

 

 

লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর অমানবিক নির্যাতন — মানবপাচার চক্রের মূলহোতা কুমিল্লার আশরাফ ও তাঁর ভাই বাহার

লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিকের ওপর অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা বিশ্ব মানবাধিকারের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ভয়াবহ মানবপাচার ও নির্যাতনচক্রের মূলহোতা হিসেবে উঠে এসেছে কুমিল্লার আশরাফ ও তার ভাই বাহার—যারা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠিতভাবে বাংলাদেশ থেকে মানুষ পাচার করে লিবিয়ায় পাঠিয়ে আসছে।

 

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আশরাফ ও বাহারের নেতৃত্বে গঠিত একটি দালাল চক্র বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অসহায় তরুণদের বিদেশে পাচার করছে। এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আশরাফের দুই স্ত্রী—মাদারীপুরের রুনা ও বরিশালের সিমু। এরা লিবিয়ায় অবস্থান করে মহিলা দালালের ভূমিকায় থেকে নতুন শিকার সংগ্রহে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, এই দালাল চক্র প্রথমে বাংলাদেশ থেকে প্রবাসের স্বপ্ন দেখিয়ে কয়েকটি দেশ ঘুরিয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয় এবং ‘গেম ঘর’ নামে পরিচিত নির্যাতন কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়। এরপর মুক্তিপণের জন্য পরিবারের কাছে ফোন করে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের ওপর চালানো হয় অকথ্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

একাধিক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, আশরাফ ও বাহারের নির্দেশে এই নির্যাতন চলে, আর নারী সদস্য রুনা ও সিমু বাংলাদেশে থেকে নতুন প্রবাসপ্রত্যাশীদের প্রলুব্ধ করে পাচারের কাজে যুক্ত করেন।

 

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, লিবিয়ায় বাংলাদেশিদের এই দুঃসহ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের জন্য সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, এই “মাফিয়া আশরাফ-বাহার চক্র” বহু বছর ধরে গোপনে সক্রিয় এবং আন্তর্জাতিক মানবপাচার নেটওয়ার্কের সঙ্গেও তাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।