1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

কৃষক কার্ড-ফ্যামিলি কার্ডের কারণে মূল্যস্ফীতি হবে না: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৭ ০০ বার পড়া হয়েছে

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

 

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কারণে দেশে কোনো ধরনের মূল্যস্ফীতি হবে না। বরং অর্থনীতি আরও সচল হবে।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য আকতার হোসেনের (রংপুর-৪) এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য যে প্রশ্নটি করেছেন-কতজন মানুষের কাছে আমরা কার্ড পৌঁছে দেব, মূল্যস্ফীতি হবে কি না, বাজেট কত, স্বাভাবিকভাবে বাজেট কত, এটি আমরা এখনই বলছি না। অর্থাৎ আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে বিষয়গুলো সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।
আমরা যেহেতু প্রতি মাসে এটি সম্প্রসারণ করতে থাকব, অর্থাৎ অধিক সংখ্যক নারী ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং অধিক সংখ্যক পুরুষ কৃষক কার্ড পাবেন-একবারে সবাইকে দেওয়া সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব নয়। সেজন্য প্রতিবছর আমরা বাজেটের পরিমাণ বাড়াব এবং প্রতি বাজেটে বরাদ্দ রাখা হবে।
তিনি বলেন, এভাবে পর্যায়ক্রমিকভাবে ধীরে ধীরে আমরা এগোব এবং অবশ্যই এটি বাজেটে প্রাধান্য পাবে। আর আপনি যেটা বলেছেন মূল্যস্ফীতি হবে কিনা-আমরা তো টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না। কাজেই মূল্যস্ফীতি হওয়ার প্রশ্নই আসে না। বরং আমরা মনে করি, এই টাকাগুলো যখন বাজারে যাবে, তখন প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক ও নারীরা তা দেশের ভেতরেই ব্যয় করবেন। তারা এই টাকা বিদেশে পাচার করবেন না; বরং স্থানীয় অর্থনীতিতে খরচ করবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন নারী এই টাকা দিয়ে সন্তানের পড়াশোনা, পরিবারের খাদ্যব্যবস্থা বা ছোট কোনো ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ফলে সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে এবং অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।’
উদাহরণ হিসেবে তারেক রহমান বলেন, ‘কোনো নারী যদি এই টাকা দিয়ে স্থানীয় মুদির দোকান থেকে পণ্য কেনেন, তাহলে ওই দোকানের বিক্রি বাড়বে। এতে দোকানির আয় বাড়বে এবং প্রয়োজনে তিনি নতুন কর্মচারী নিয়োগ দিতে পারবেন। এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় অর্থনীতি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হবে। দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ স্থানীয় শিল্পের পণ্য ব্যবহার করে। ফলে এসব উদ্যোগ স্থানীয় শিল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।’
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি না যে এতে মূল্যস্ফীতি হবে। বরং অর্থনীতি আরও সচল ও শক্তিশালী হবে। হয়তো আগামী ছয় মাসে বড় পরিবর্তন দেখা যাবে না, তবে তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।