
দিঘলিয়া-খুলনা প্রতিনিধি
খুলনা দিঘলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দেয়াড়া নিবাসী মোঃ কালাম মীরের বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে বসতবাড়ির ঘরসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের সূত্র থেকে জানা যায়, দিঘলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দেয়াড়া কহিনুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের কমিউনিটি ক্লিনিক সংলগ্ন কালামের বসতবাড়িতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার স্টেশন দিঘলিয়া স্থলপথের অফিসার ইনচার্জ শেখ আঃ আজিম এ প্রতিবেদককে জানান, একটা লোক এলাকা থেকে পায়ে হেঁটে এসে সংবাদ দিলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। পানি সংকটের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ১ ঘন্টা সময় লাগে।
শর্ট সার্কিটের কারণে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২ লাখ টাকা বলে প্রাথমিকভাবে দিঘলিয়া ফায়ার স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ শেখ আঃ আজিম এ প্রতিবেদককে জানান। তিনি আরো জানান, অগ্নিকান্ড সংঘটিত হওয়ার পর সেখান থেকে পায়ে হেঁটে এসে সংবাদ দিলে তৎক্ষনাৎ অগ্নিনির্বাপণে ২ টা ইউনিট নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছি। সংবাদে বিলম্ব না হলে এবং এলাকায় পানির সংকট না হলে আরও দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতো। উল্লেখ্য বসত বাড়িটির মালিক মোঃ কালাম মীর দেয়াড়া খেয়াঘাটের চায়ের দোকানদার। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, স্থানীয় এমপি ও প্রশাসনের কাছে আমি সাহায্য কামনা করছি যাতে আমি আমার ক্ষতিগ্রস্ত ঘর নির্মাণ করতে পারি। স্থানীয় সকল বিত্তবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন এলাকার স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এলাকার কতিপয় ব্যক্তি ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের হীন প্রচেষ্টা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য দিঘলিয়া উপজেলার ফরমাইশখানা পাল পাড়া এলাকায় কাজী মিজানের বাড়িতেও গত মাসের শেষ সপ্তাহে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এলাকায় এ মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেশি ঘটে। কিন্তু এলাকায় পানির সংকট খুব বেশী। পশ্চিম এলাকা ভৈরব নদী ও পূর্ব পাশে আতাই নদী ছাড়া পানি নেই। নাক কাটি খালটির সুইস গেট দীর্ঘদিন বন্ধ করে রাখার কারণে দিঘলিয়া ফায়ার সার্ভিস পানি সংকটে পতিত হচ্ছে। আন্তরিকতা থাকা সত্বেও পানির অভাবে অগ্নিনির্বাপণ কাজ ব্যহত হচ্ছে।