1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

অপ্রয়োজনীয় চেকআপ বা টেস্টের সুপারিশ করে রোগীকে আর্থিকভাবে শোষণ করা।

মোঃ বাবুল আক্তার, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৫ ০০ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ বাবুল আক্তার
বাংলাদেশ সহ অনেক দেশেই চিকিৎসা ব্যবস্থার একটি আলোচিত ও উদ্বেগজনক দিক হলো — চিকিৎসা পেশায় অনৈতিক ব্যবসা বা প্রফিট-চালিত আচরণ, বিশেষ করে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় চেকআপ বা টেস্টের সুপারিশ করে রোগীকে আর্থিকভাবে শোষণ করা। নিচে এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো: অপ্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টেস্টের প্রেসক্রিপশন
সমস্যা কী? অনেক সময় ডাক্তাররা রোগ নির্ণয়ের জন্য অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত টেস্ট দিয়ে থাকেন, যেমন: একেবারেই সাধারণ অসুস্থতায়ও CT scan, MRI,
বা একাধিক ব্লাড টেস্ট, নিয়মিত হেলথ চেকআপের নামে রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন ছাড়াও প্যাকেজ টেস্ট
কেন হয়? কিছু ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে কমিশনের লেনদেন (রেফারেল ফি) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চাপ টার্গেট পূরণের জন্য (কর্পোরেট হাসপাতালগুলোতে) ওষুধ কোম্পানির সাথে অসাধু সম্পর্ক, কী ঘটে? ডাক্তাররা কিছু নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের দামি ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন, যেগুলোর প্রয়োজন হয়তো নেই। অনেক সময় সেই ওষুধের পরিবর্তে সস্তা এবং কার্যকর জেনেরিক ওষুধও পাওয়া যায়। কারণ: কোম্পানিগুলো ডাক্তারদের ঘুরতে নিয়ে যায়, উপহার দেয়, বা সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানায় — যার বিনিময়ে তাদের ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে বলা হয়।
 কর্পোরেট হসপিটাল ও বেসরকারি ক্লিনিকের প্রভাব, অভিযোগ: কিছু প্রাইভেট হাসপাতাল বা ক্লিনিক ডাক্তারদের টার্গেট দেয়: মাসে নির্দিষ্ট সংখ্যক টেস্ট বা রোগী ভর্তি করানো। কমিশন ভিত্তিক কাজ করানো হয়। একে বলা হয় “target-based practice”।
 হেলথ চেকআপ প্যাকেজের নামে ব্যবসা, কিছু প্রতিষ্ঠানে ‘Executive Health Checkup’, ‘Full Body Scan’, ইত্যাদি নামে নানা টেস্ট করানো হয় — যেগুলোর বেশিরভাগই হয়তো রোগীর প্রোফাইলে প্রয়োজন নেই।
এতে সাধারণ মানুষ ভয় পেয়ে অকারণে খরচ করে ফেলে। রোগীকে ভয় দেখিয়ে চিকিৎসার চাপ, অনেক সময় ডাক্তার রোগীকে ভয় দেখিয়ে বলে, “এখনই টেস্ট না করলে বিপদ হতে পারে।” এতে রোগী মানসিকভাবে বাধ্য হয়। এই অনৈতিকতা বন্ধে কী করা যায়?
রোগী হিসেবে করণীয়: সচেতন থাকা – টেস্ট বা ওষুধের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জিজ্ঞাসা করা।
সেকেন্ড ওপিনিয়ন নেয়া – কোনো বড় চিকিৎসা বা ব্যয়বহুল টেস্টের আগে অন্য ডাক্তারকে দেখানো।
জেনেরিক ওষুধ সম্পর্কে জানা – দামের তুলনায় কার্যকারিতা বিবেচনা করা। ভয় না পেয়ে প্রশ্ন করা – ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করুন, “এই টেস্টটা কেন দরকার?” সরকারের করণীয়: ডাক্তারদের কমিশন ভিত্তিক প্র্যাকটিস বন্ধে নিয়ম-কানুন কঠোর করা,ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ওষুধ কোম্পানির অনৈতিক লেনদেন তদন্ত করা,
জনসচেতনতা বৃদ্ধি উপসংহার, সব ডাক্তার বা প্রতিষ্ঠান এমন নয়। অনেকেই আন্তরিকভাবে রোগীর ভালো চায়। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে পুরো পেশার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। রোগী ও ডাক্তার উভয়ের মধ্যে বিশ্বাস গড়তে হলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সচেতনতা জরুরি।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।