
ভেড়ামারা প্রতিনিধিট
আজ ২রা কার্তিক সোমবার (২০ অক্টোবর, ২০২৫) ভেড়ামারা মধ্যবাজার স্বর্ণকার পট্টিতে অবস্থিত শ্রী শ্রী রক্ষা কালী মাতার মন্দিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব শুভ দীপাবলি এবং শ্যামাপূজা (কালীপূজা)। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এই উৎসব পালিত হচ্ছে, যা মূলত অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক। আলোর রোশনাই আর ভক্তি-আনন্দের আবহে সেজে উঠেছে পুরো এলাকা। কালীপূজা শক্তির আরাধনা দীপাবলির দিন বাঙালি হিন্দুরা মহাশক্তির দেবী কালীর আরাধনায় মগ্ন। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনেই দেবী কালী শুম্ভ-নিশুম্ভের মতো অসুরদের বধ করে পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে এনেছিলেন।
পূজার তিথি ও শুভ মুহূর্ত: এই বছর অমাবস্যা তিথি শুরু হয়েছে ২০ অক্টোবর, সোমবার দুপুর ৩টা ৩৬ মিনিটে। পঞ্জিকা মতে, নিশীথকাল (মধ্যরাত্রি) ২০ অক্টোবরে পড়ায়, এদিন রাতেই কালীপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ভক্তরা শান্তি, শক্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় দেবীর চরণে ফুল নিবেদন করছেন। কালীপূজার পাশাপাশি সারা দেশে পালিত হচ্ছে আলোর উৎসব দীপাবলি।
প্রদীপের রোশনাই: সন্ধ্যায় প্রতিটি বাড়িতে, মন্দিরে এবং মণ্ডপে মাটির প্রদীপ (দীয়া) জ্বালানো হয়েছে।এই আলোকসজ্জা জীবনের অন্ধকার দূর করে জ্ঞানের আলো প্রতিষ্ঠার বার্তা বহন করছে। কার্তিক মাসের এই অমাবস্যা তিথিকে দীপান্বিতা লক্ষ্মীপূজা হিসেবেও মানা হয়, যেখানে ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মীর আগমন কামনা করা হয়।
ভেড়ামারা মধ্যবাজার স্বর্ণপট্টির ব্যবসায়ী বৃন্দ এই পুজা উৎসবে শামিল হন। মন্দিরের সভাপতি উত্তম কুমার কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক, কিষান কুমার পন্ডিত, সহ-সভাপতি, সমর বিশ্বাস, সহ সেক্রেটারি,পিন্টু আগরওয়াল,সহ সেক্রেটারি মানিক কুমার ঘোষ, সংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ কর্মকার, দপ্তর সম্পাদক স্বাধীন কুমার শীল, সদস্য শোভন কুন্ডু,অর্জুন কুন্ডু, নয়ন কর্মকার, অচিন্ত্য অধিকার, হিসাব রক্ষক, ডাবলু আগরওয়ালা, পুরোহিত বিনয় কুমার পাঠক (বাপ্পি ঠাকুর) সহ ব্যাপক ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটে।