
শাহাদাৎ হোসেন সরকার
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচিকে সামনে রেখে সাভারের আমিনন বাজার থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ও যানজট নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশের পাশাপাশি ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সদস্য ও আশুলিয়া থানা যুবদল নেতা জিএম মিন্টুসহ আশুলিয়া থানা কমিটির সদস্যরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে যানজট নিরসনে সহায়তা করছেন।
তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। পুরো এলাকায় প্রায় ৮০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
মোতায়েনকৃত পুলিশ: ৮০০ জনের বেশি।
গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্ট: আমিনবাজার, সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড, নবীনগর।
অতিরিক্ত ব্যবস্থা: সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি।
এই বিশাল কর্মসূচির সামাজিক দায়িত্ববোধের অংশ হিসেবে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের সদস্যরা যানজট নিরসনে কাজ করছেন।
এসময় আশুলিয়া থানা কমিটি সাম্প্রতিক সময়ে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে মানববন্ধন এবং ভার্চুয়াল সভার মতো তৎপরতা রয়েছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হলেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।
এ প্রসঙ্গে আশুলিয়া থানা যুবদল নেতা ও নিরাপদ সড়ক চাই’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সদস্য জিএম মিন্টু বলেন, “তারেক রহমানের সাভারে আগমন উপলক্ষে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা অভূতপূর্ব।
আমরা শপথ নিয়েছি, নেতার নেতৃত্বে আমরা এই জনপদকে জিয়ার আদর্শের দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করব”।
তারেক রহমান শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় ও পিতার কবর জিয়ারত শেষে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। সেখানে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ, নীরবতা পালন এবং ফাতেহা পাঠের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও গণপূর্ত বিভাগের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে এবং ফুলের চারা লাগানো হয়েছে।
গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনো জানান, ব্যাপক মানুষের সমাগম সম্ভাবনা বিবেচনায় বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ, অপারেশন ও ট্রাফিক) আরাফাতুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, এই সফরকে কেন্দ্র করে নিছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।