
নিজস্ব প্রতিনিধি
সম্প্রতি সময়ে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছে ‘মাশরুম’। এক সময় এটি অবহেলিত থাকলেও, বর্তমানে এর ঔষধি গুণ এবং উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ উপাদানের কারণে একে বলা হচ্ছে সুপার ফুড।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
মাশরুমে ফ্যাট বা চর্বি নেই বললেই চলে, কিন্তু প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন-বি এবং খনিজ উপাদান রয়েছে। মাশরুম খাওয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু উপকারিতা হলো: এটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। এতে সুগার কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি আদর্শ খাবার। মাশরুম কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু নির্দিষ্ট মাশরুম টিউমারের বৃদ্ধি রোধে সহায়ক। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, বাংলাদেশে মাশরুম চাষ একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। স্বল্প পুঁজি, কম জায়গা এবং অল্প পরিশ্রমে মাশরুম উৎপাদন করা সম্ভব হওয়ায় তরুণ উদ্যোক্তারা এর প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। বিশেষ করে অয়েস্টার,মিল্কি এবং বাটন মাশরুমের চাহিদা বাজারে সবচেয়ে বেশি।
মাশরুম চাষ কেবল পুষ্টির চাহিদা মেটাচ্ছে না, বরং দেশের বেকার সমস্যা সমাধানেও বড় ভূমিকা রাখছে। এটি বাড়ির আঙিনা বা ঘরে বসেই চাষ করা যায়।মাশরুম নিয়ে যেমন সম্ভাবনা আছে, তেমনি রয়েছে ঝুঁকি। বন্য বা প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো অনেক মাশরুম বিষাক্ত হতে পারে, যা মানুষের জন্য প্রাণঘাতী। তাই বাজার থেকে কেনা বা অনুমোদিত ল্যাব থেকে সংগৃহীত বীজ দিয়ে চাষ করা মাশরুমই খাওয়া নিরাপদ।