1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

কাঁঠালিয়ায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বসিরের দৌরাত্ম্য, সার–বীজে লুটপাট, ভুয়া তালিকা, আতাত–বাণিজ্যে ডুবেছে কৃষি অফিস

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৯ ০০ বার পড়া হয়েছে

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

কাঁঠালিয়া উপজেলা কৃষি অফিস যেন একক ব্যক্তির দখলে। দীর্ঘ এক যুগ ধরে একই কর্মস্থলে থেকে ক্ষমতার দাপটে অনিয়ম–দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তুলেছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বসির। পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও অপরাধ যেন ছায়াসঙ্গী—দলীয় পরিচয় আর প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে আজও অক্ষত তাঁর বেপরোয়া দৌরাত্ম্য।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রণোদনার সার–বীজ বিতরণে প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেতা–কর্মী ও নিজের ঘনিষ্ঠজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন বসির। তালিকায় ভুয়া কৃষক দেখিয়ে সরকারি সার–বীজ উত্তোলনের পর তা স্থানীয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খোলা বাজারে বিক্রি করা হয়। এতে বঞ্চিত হন প্রকৃত কৃষক—আর মুনাফা যায় ক্ষমতাবানদের হাতে।

দক্ষিণ চেচরি গ্রামের কৃষক মোঃ শাজাহান বলেন, বছরের পর বছর সার–বীজ পাই না। বসির শুধু নিজের দলের লোকদের নামই দেন।

 

কৃষকদের অভিযোগ—প্রণোদনার তালিকায় নাম তুলতে বসির নেন এক হাজার টাকা করে। প্রদর্শনী প্লটের কৃষকরাও পাচ্ছেন না প্রাপ্য টাকা। মাঠে সমস্যা হলে কৃষকেরা ডাকলেও বসির মাঠে যেতে চান না। উল্টো কৃষকদের গাড়িভাড়া ও অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়।

কৃষক রফিকুল হাওলাদার বলেন, আতাত ছাড়া কিছুই হয় না। এত সম্পদের মালিক হলো কীভাবে?

একই কর্মস্থলে এক যুগ—নানামুখী অপকর্মে জড়িত
সরকারি বিধি অনুযায়ী একই উপজেলায় এতো বছর থাকা অনিয়ম হলেও বসির আছেন এক দশকেরও বেশি সময় ধরে। স্থানীয়দের অভিযোগ—এই সময়ে তিনি গড়ে তুলেছেন ভুয়া তালিকা বাণিজ্য, কালোবাজারি ও আতাত  লেনদেনের জাল।

 

এ বিষয়ে জাহিদুল ইসলাম বসিরের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন—আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি ভাণ্ডারিয়া যেতে চাই, জেলা অফিস বদলি দিচ্ছে না।

 

কাঁঠালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতিমা ইসলাম জানান—লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে কয়েকটি নিউজ দেখেছি তার বিরুদ্ধে, আমি অসুস্থ আছি সুস্থ হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন—এটা আমার দেখার বিষয় না এ বিষয়ে উপজেলা কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন, বলে ফোনটি কেটে দেন।

এক যুগ ধরে কৃষকের হক মেরে দুর্নীতির রাজত্ব—তবু থাকছেন ক্ষমতার আড়ালে। কাঁঠালিয়ার সাধারণ কৃষকদের প্রশ্ন, বসিরের বিরুদ্ধে তদন্ত কবে? নাকি প্রভাবশালীর ছায়ায় সব আড়ালেই রয়ে যাবে?

 

পর্ব ৩

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।