1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

সার-টাকা দুর্নীতি: কৃষকরা দাবি করছেন স্বচ্ছ তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২৭ ০০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বসিরের বিরুদ্ধে একাধিক কৃষকের কাছ থেকে অভিযোগ উঠেছে অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার দক্ষিণ চেচরি গ্রামের কৃষক মো. শাজাহান অভিযোগ করেন, “সুবিধাবঞ্চিত কৃষকদের সরকারি সার–বীজ বরাদ্দ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে জাহিদুল ইসলাম বশির আমার কাছে টাকা নেন। কিন্তু পরে আর কোনো সুবিধাই দেননি। বরং টাকা ফেরত চাইলে উল্টো হুমকি–ধামকি দেন।”

 

ভুক্তভোগী আরও বলেন, বরাদ্দ পাওয়ার আশায় অনেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও ছবি জমা দেন। কিন্তু সুবিধা তো দূরের কথা, টাকা ফেরত চাইতেই চরম অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হতে হচ্ছে তাদের।

 

সংবাদ প্রকাশের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। ভুক্তভোগীরা জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বশির নানাভাবে তাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন—মিডিয়ায় যেন আর কোনো তথ্য প্রকাশ না করা হয়। এ নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী কৃষক জানান,

“ভোটার আইডি ও ছবি নিয়ে তিন হাজার টাকা নিয়েছিল জাহিদুল ইসলাম বসির। বলেছিল সার–বীজ দেবে। কিন্তু পরে কিছুই পাইনি। টাকা ফেরত চাইলে তিনি চরম অস্বীকৃতি জানান এবং আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়–ভীতি দেখান।”

 

আরেক কৃষক একই ধরনের অভিযোগ করে বলেন,

“আমার কাছ থেকে দুই হাজার টাকা নেয় সার দেবে বলে। পরে জানতে পারি আমার নামে সার বরাদ্দ হলেও সেটি আমি পাইনি। পরে এলাকার লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি—বসির নাকি সেই সার অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছেন।

 

স্থানীয় কয়েকজন জানান, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকা এবং তদবির–নির্ভর প্রভাবের কারণে অভিযোগ ওঠার পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে কৃষি সেবার ওপর মানুষের আস্থা কমছে বলে তারা মত দেন।

 

স্থানীয় কৃষক–মহলে ক্ষোভের আগুন এখন তীব্র। তাদের দাবি, দুর্নীতিবাজ বশিরের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে কৃষকদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হোক।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।