1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভেড়ামারায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান

পুলিশের নাকের ডগায় মাদক বেচাকেনা, নীরব মুগদা থানা—অভিযোগের পাহাড়, প্রশ্নবিদ্ধ নজরদারি

প্রিয়া চৌধুরী, নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৪ ০০ বার পড়া হয়েছে

 

প্রিয়া চৌধুরী

 

 

রাজধানীর মুগদা থানা এলাকায় প্রকাশ্য মাদক বেচাকেনা নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, থানার আশপাশসহ একাধিক ‘হটস্পট’-এ দিনের পর দিন ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা চললেও কার্যকর অভিযান চোখে পড়ছে না। এতে পুলিশের নজরদারি ও দায়িত্ব পালনের প্রশ্ন উঠেছে।
হটস্পট চিহ্নিত, তবু কেন নীরবতা?স্থানীয় সূত্র জানায়,মানিকনগর বালুর মাঠ, মান্ডা, মদিনাবাগ এবং বিশ্ব,রোড সংলগ্ন মান্ডার অলিগলিতে মাদকের আখড়া মান্ডা প্রথম গলিতে সমান্তরালভাবে গাঁজা, ফেনসিডিল,

 

হিরোইন ও ইয়াবার বেচাকেনাও জমজমাট স্থানীয় বিপথগামী যুবদল ও বিএনপি কর্মীরা এ অবৈধ সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। মানিকনগর, আনন্দধারা, ব্রিজের গোড়ায়, ফেনসিডিল, হিরোইন ও ইয়াবার বড় আখড়া নিয়ন্ত্রণ করছেন এই বিপথগামী নেতারা মদিনাবাগের ময়লার ডিপু এলাকাও এখন পরিচিত “মাদক আখড়া” হিসেবে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনই এখানে লক্ষ লক্ষ টাকার মাদক বিক্রি হয় মাদকের কারণে তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে, অনেক উঠতি যুবক ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। প্রায় প্রতিরাতেই এসব আসরকে কেন্দ্র করে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে, মাদক ও চক্র প্রতিদিন পুলিশ কিছু প্রভাবশালী নেতা ও কথিত হলুদ সাংবাদিকদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে থাকে।

 

এর বিনিময়ে পুলিশ লোক দেখানো মাদকবিরোধী মিটিং করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয় না, এক সিন্ডিকেট সদস্য সরাসরি স্বীকার করেছে, আমরা থানাকে টাকা দেই, দলের প্রোগ্রামে কিশোর গ্যাং সরবরাহ করে মিছিলে পাঠানো হয় এলাকাগুলোতে সকাল থেকে মধ্যরাত মাদক কারবারিদের আনাগোনা বাড়ে। নির্দিষ্ট কয়েকজন বিক্রেতা নির্দিষ্ট সময়ে অবস্থান নেয়—এ তথ্য স্থানীয়দের কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’। তবু নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি বা ধারাবাহিক অভিযানের প্রমাণ মিলছে না বলে অভিযোগ।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন, প্রতিদিন একই মুখ, একই জায়গা। ক্রেতা আসে, নেয়, চলে যায়। পুলিশ মাঝে মাঝে দেখা যায়, কিন্তু এই জায়গাগুলোতে কোনো তৎপরতা নেই।

আরেক বাসিন্দার দাবি, ছোটখাটো অভিযানে দু-একজন ধরা পড়লেও মূল হোতারা অধরা থেকে যায়। এতে সন্দেহ বাড়ছে—আসলে কি বড়দের ধরার সদিচ্ছা আছে?”
যুবসমাজ ঝুঁকিতে, নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে
অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদকের সহজলভ্যতায় কিশোর-যুবরা ঝুঁকিতে পড়ছে। সন্ধ্যার পর অনেক পরিবার চলাচল সীমিত করছে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশের বক্তব্য কী?

এ বিষয়ে মানিকনগর থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও (ফোন রিসিভ হয়নি/মন্তব্য পাওয়া যায়নি)। তবে পুলিশের একটি সূত্র দাবি করেছে, “অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে”—কিন্তু কবে, কীভাবে এবং কার বিরুদ্ধে—সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই।প্রশ্নগুলো থেকেই যায়
চিহ্নিত হটস্পট জানা থাকা সত্ত্বেও কেন ধারাবাহিক অভিযান নেই?

 

কেন বারবার ছোট মাছ ধরা পড়ে, বড়রা অধরাই থাকে?
নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তথ্য থাকা সত্ত্বেও কেন দৃশ্যমান ফল নেই? এলাকাবাসী দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত, ধারাবাহিক অভিযান ও ফলাফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। তারা পুলিশ সদর দপ্তর ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

পর্ব ১

 

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।