কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় দাদির নির্মম আ’ঘাতে দুই বছরের এক শিশু নি হ ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দাদিকে মানসিক ভারসাম্যহীন বা ‘পাগল’ দাবি করে বাঁচানোর পাশাপাশি মামলা এড়াতে একটি প্রভাবশালী চক্র রফাদফার চেষ্টা চালাচ্ছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।ঘটনাটি ঘটে উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের দ্বিতীয় দশানি পাড়া এলাকায় ফজলু মিয়ার বাড়িতে। নি’হ’ত শিশুর নাম হালিমা আক্তার। সে ওই গ্রামের ফজলু মিয়ার প্রবাসী ছেলে নজরুল ইসলামের কন্যা।
নি’হ’ত শিশুর মা জানান, ঘটনার দিন দুপুরে হালিমা দাদির পিছু পিছু আগলার ঘরে প্রবেশ করলে হঠাৎ করেই দাদি শিশুটিকে মাথার ওপর তুলে আছাড় মারেন। এতে হালিমা গুরুতর আ’হত হয়। তিনি বাধা দিতে গেলে অভিযুক্ত দাদি আরও আ’ঘা’ত করতে উদ্যত হন। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে গেলে দাদি হকি দিয়ে শিশুর মায়ের মাথায় আ ঘাত করেন। এতে তিনি র ক্তা ক্ত অবস্থায় আহত হন। এরপর অ’ভি যু ক্ত দাদি কাপড়চোপড় নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
গুরুতর আ হত অবস্থায় হালিমাকে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃ ত ঘোষণা করেন।এদিকে ঘটনার পর একটি চক্র অ ভি যুক্ত দাদিকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ দাবি করে পুলিশকে প্রভাবিত করার মাধ্যমে লাশ দাফনের অপচেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। তবে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোসেন স্পষ্টভাবে জানান, আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়া কোনোভাবেই লাশ দাফন করা যাবে না। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এতে চ ক্র টি পিছু হটতে বাধ্য হয়।
পরবর্তীতে পুলিশ লা শ উদ্ধা র করে ম য়না তদ ন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।অভিযুক্তকে ‘পাগল’ প্রমাণে সংশ্লিষ্টরা কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে। দো ষীদের দৃষ্টা ন্তমূল ক শা*স্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।