1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

তিতাসে মাদকাসক্ত মাইনুদ্দিনকে ভালো করতে ব‍্যর্থ মা-বাবা,আদালতে প্রেরণ

মোঃ হানিফ মিয়া, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯৬ ০০ বার পড়া হয়েছে
মো:হানিফ মিয়া
কুমিল্লা তিতাসের কলাকান্দি ইউনিয়নোর ১নং ওয়ার্ড মাছিমপুর গ্রামের মোসলেম উদ্দিন ও তার স্ত্রী মাদকাসক্ত ছেলে মাঈনুদ্দিন কে ভালো করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তার যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে আত্ম হ*ত্যা করার চেষ্টা করলে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর- ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে তিতাস থানা পুলিশ। গত
১৭/০৮/২৫ ইং তারিখ বেলা ২ টা ৩০ মিনিটে  ৯৯৯  এর কল ” মাছিমপুরে মাদকাস*ক্ত ছেলের যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে বাবা আত্মহ*ত্যার পথ বেঁচে নেওয়ার চেষ্টা করে।তিতাস থানা মোবাইল টিম অফিসার এস আই আবুল বাশার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ কল দেওয়া তথ্যমতে মাছিমপুর গ্রামের মো:মোসলেম উদ্দীনের বাড়িতে গিয়ে মোসলেম  উদ্দিনকে হাতে একটি  দড়িসহ   উদ্ধার করে এবং মাদকাসক্ত  ছেলে মাইনুদ্দিনকে তার বাবা-মাকেসহ থানায় নিয়ে আসে।
অতি দরিদ্র বাবা,ছেলের অ*ত্যাচারে ও মা*দকের টাকা জোগাড় করতে না পেরে আত্মহ*ত্যার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বলে জানায়। ছেলে মাইনুদ্দিনকে অনেক সময় নিয়ে থানায় কাউন্সিলিং করা হয় । একপর্যায়ে মাইনুদ্দীন তার ভূল বুঝতে পারে। সে আর মাদক সেবন করবে না, ভাল হয়ে যাবে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে বলে অঙ্গীকার করে এবং প্রাথমিকভাবে তিতাস থানায় কাজ করবে বলে সম্মত হয়।
তিতাস থানার প্রাঙ্গণে কিছুক্ষণ কাজ করার পর তাকে গোসল করিয়ে থানা মসজিদে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় শেষে রাতের খাওয়া-দাওয়ার পর থানার কাজে দায়িত্বে থাকা আউটসোর্সিং ইমরানের সাথে  ঘুমানোর ব্যবস্থা করা হয়।এরপর ভোরে ফজরের নামাজ পড়ার পর ইমরানকে ফাঁকি দিয়ে সকলের অগোচরে পালিয়ে যায়। বাড়িতে গিয়ে আবার সে তার বাবা-মায়ের  উপর অত্যাচার নির্যাতন করতে থাকে। আসলে “চোর “না শুনে  ধর্মের কাহিনী ” সেটাই প্রমাণ হলো। শত চেষ্টা করে করেও মাইনউদ্দিনকে তিতাস থানা পুলিশ ও মা-বাবা ভালো করতে ব‍্যর্থ হয়।
তিতাস থানা পুলিশ তাকে কাজের ব‍্যবস্থা করেও তাকে রাখতে পারেনি।তবে এটা ছিল তিতাস থানার একটি ভালো উদ্যোগ।
মাইনুদ্দিনের বাবার সাথে পুলিশের প্রায় যোগাযোগ হয়। তার ধারাবাহিকতায় অবশেষে মাইনুদ্দিনকে আটক করে অদ্য ২৭/০৮/২৫ ইং তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয় তিতাস থানা পুলিশ।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।