ঘটনার এক পর্যায়ে সুকান্ত হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
এ ঘটনায় হাসপাতালে উপস্থিত অন্যান্য রোগী ও স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এছাড়াও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আমুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী নিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক প্রায়ই বলেন, “এখানে হবে না, বরিশাল নিয়ে যান।” পরে রোগীদের বরিশাল-এ পাঠানো হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয় এবং সেই পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন থেকে ওই চিকিৎসক সুবিধা পেয়ে থাকেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে সুকান্তের বক্তব্য পাওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (আমুয়া) মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার তালুকদার সুষ্ঠু চিকিৎসা পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত করে আলোচিত চিকিৎসককে শোকজ করেছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।