1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

ভেড়ামারায় সোহেল রানা হত্যার রহস্য উন্মোচিত হয়নি তবে গ্রেপ্তার ৫

রতন কুমার ঘোষ, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ১৪৬ ০০ বার পড়া হয়েছে

 

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

 

 

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় সোহেল রানা (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে রড ও কুপিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলে পরে মুখে আগুন দিয়ে ঝলসিয়ে হত্যার ৫ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত কি কারণে মেরে ফেলা হয়েছে সেই রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। তবে এই ঘটনায় জড়িত মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভেড়ামারা-দৌলতপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা ও তদন্তের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

নিহত সোহেল রানা কুষ্টিয়ার জুনিয়াদহ ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। তিনি ভেড়ামারা পৌরসভার নওদাপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ জানায়, গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ বুধবার সকালে ভেড়ামারার ধরমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর বিলের একটি ধানক্ষেত থেকে সোহেল রানার বিবস্ত্র ও বীভৎস মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে কেবল পিটিয়ে, কুপিয়ে হত্যা করা হয়নি, বরং তার মুখমণ্ডল পুড়িয়ে এবং ঝলসিয়ে দিয়ে বিকৃত করা হয়েছিল। মরদেহের ধরন দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয় এটি একটি পরিকল্পিত এবং চরম আক্রোশ থেকে ঘটানো হত্যাকাণ্ড।

ঘটনার পর থেকেই জেলা পুলিশ ও ভেড়ামারা থানা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন জানান, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাসহ ৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মামলাটি তদন্ত করছি। আসামিদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। এই নৃশংসতার সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।