তিতাসে বিএনপির দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে যুবদল নেতা হেলালের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক দলের জামালের অভিযোগ
মোঃ হানিফ মিয়া, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় :
সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
৩২৭
০০ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
কুমিল্লার তিতাস উপজেলা কলাকান্দি ইউনিয়নের মাছিমপুর বাজারে হোমনা উপজেলা যুবদলের নেতা মনাইরকান্দি গ্রামের মোঃ শহিদুল্লাহ সরকারের ছেলে মোহাম্মদ হেলাল সরকার ও তিতাস উপজেলা কলাকান্দি ইউনিয়ন মাছিমপুর গ্রামের মৃত আয়েত আলীর ছেলে জসিমের মধ্যে মুরগি ব্যবসা করার জন্য স্ট্যাম্পে ১৬ লক্ষ টাকার চুক্তিনামা হয়।
এই চুক্তি নামায় পাঁচজন সাক্ষী ছিলেন।মোহাম্মদ ইব্রাহিম,মনসুর আলী মেম্বার,শাহানারা,মোহাম্মদ জামাল ভূঁইয়া,মোহাম্মদ জামাল হোসেনসহ আরো ৮ থেকে ১০ জন উপস্থিত ছিলেন স্ট্যাম্পে ব্যবসায়িক চুক্তিবদ্ধ করার সময়।মোহাম্মদ হেলাল সরকার এই চুক্তিনামা অস্বীকার করে প্রথমে একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও বার্তা দেয় আমাকে খালি স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক সাক্ষ্য নেওয়া হয় ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মিথ্যা আমার নামে অপপ্রচার করা হয়।
মোহাম্মদ হেলাল সরকার স্ট্যাম্প এর চুক্তিনামা অনুযায়ী অপরদিকে জসিম উদ্দিন হেলালের নিকট পাওনা টাকা খুঁজতে গেলে অনেকবার তারিখ দিলেও কোন টাকা পয়সা দেওয়া হয় নাই এবং টাকা পয়সা না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন তালবাহানা করতেছে এমনটাই জানিয়েছেন মোহাম্মদ জসিম সরকার।বিভিন্ন তালবাহানা করে টাকা না দেওয়ার জন্য সাক্ষীদেরকেও হুমকি দিচ্ছে।
হেলালের হুমকি স্বরূপে সাক্ষী মোহাম্মদ ইব্রাহিম থানায় একটি অভিযোগ দ্বায়ের করেন।অপরদিকে আবারো হেলাল সরকার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় বলেন,এই যে স্টাম্প আর ডকুমেন্টের বাহিরে কথা বলা যাবে না। আর আমি সুষ্ট তদন্ত চাই।
এই মিথ্যা তালবাহানা অপপ্রচারের অভিযোগ করে তিতাসের স্বেচ্ছাসেবক দলের মোহাম্মদ জামাল ভূইয়া বলেন,প্রথমবার হেলাল সরকার বলেছেন তাকে খালি স্টাম্পে জোর করে সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে এবং দ্বিতীয় ভিডিও বার্তায় বলেছেন এই যে স্টাম্প ডকুমেন্টের বাহিরে কথা বলা যাবে না।আপনার বলুন তাহার দুটি প্রসঙ্গ কতটা যুক্তিসঙ্গত। সরজমিনে গিয়ে জানাজায় যারা সাক্ষী দিয়েছে তারা এক ভিডিও বার্তায় সাংবাদিকদের জানান প্রথম সাক্ষী ইব্রাহিম সরকার বলেন আমি স্ট্যাম্প চুক্তিনামার লেখা দেখে স্বাক্ষর করেছি,দ্বিতীয় পক্ষ হেলাল সরকারের আনিত খালি স্ট্যাম্পে জোরপূর্ব স্বাক্ষরের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং জামাল ভূঁইয়া জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেয় নাই।
অপর দিকে বাকি সাক্ষীগণ বলেন,খালি স্ট্যাম্পে কেউ কি সাইন দেয়। খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর সম্পূর্ণ মিথ্যা আমরা সাক্ষীগণ চুক্তিনামা লেখা পড়ে স্বাক্ষর করেছি। এক বছর পূর্বে হেলাল সরকার ও জসিম সরকার মুরগির ব্যবসা করার জন্য একটি চুক্তিনামা স্ট্যাম তৈরি করা হয়।