1. admin@dainiksattoprokash.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম পারিবারিক কলহের জেরে ইমামের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী ক্যাশলেস ভেড়ামারা পূবালী ব্যাংকে পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস ক্যাপিন উদ্বোধন ভেড়ামারায় ২৮ বোতল মাদক সিরাপ ও মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালাল ৩২ মামলার আসামি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন মদনে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা উদ্বোধন করলেন লুৎফুজ্জামান বাবর টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রীপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান ঝিনাইদহে শতাধিক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদানের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ

সিরাজগঞ্জে গো-খাদ্যের সংকট, বিপাকে শত শত খামারি

তারিকুল আলম, রাজশাহী বুরো
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৫ ০০ বার পড়া হয়েছে

 

রাজশাহী বুরো
বর্ষার পানি বাড়তে শুরু করায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চলনবিল অঞ্চলে দেখা দিয়েছে তীব্র গো-খাদ্যের সংকট। বিস্তীর্ণ চারণভূমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় শত শত খামারি ও কৃষক তাদের গবাদিপশুর খাদ্য নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

বর্ষার নতুন পানি মাঠে প্রবেশ করায় সবুজ ঘাসের জমি পানির নিচে চলে গেছে। ফলে গরু-ছাগলের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য না পেয়ে অনেক খামারিকে হাঁটুসমান পানিতে নেমে কচুরিপানা ও পানিতে তলিয়ে থাকা ঘাস সংগ্রহ করে পশুকে খাওয়াতে দেখা যাচ্ছে। এতে যেমন কষ্ট বাড়ছে, তেমনি পশুর স্বাস্থ্যঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্থানীয় খামারিরা জানান, বর্ষার কারণে চারণভূমির সব ঘাস ডুবে গেছে। বাজারে খড়, ভুষি ও অন্যান্য গো-খাদ্যের দামও অনেক বেড়ে গেছে। বর্তমান দামে এসব খাদ্য কিনে গবাদিপশুকে নিয়মিত খাওয়ানো তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই তারা গরু-ছাগল নিয়ে পানিতে নেমে কচুরিপানা ও ডুবে থাকা ঘাস খাওয়াচ্ছেন।
এক খামারি বলেন, “গরুর খাবারের দাম এত বেশি যে কিনে খাওয়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে পানিতে নেমে যা পাচ্ছি, তাই খাওয়াতে হচ্ছে।”
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, “বর্ষা মৌসুমে চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে গো-খাদ্যের সংকট দেখা দেয়। এ সময় কৃষকদের আগেই সংরক্ষণ করা খড় ও ঘাস ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পানিতে ডুবে থাকা বা পচা ঘাস গবাদিপশুকে খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এতে পশুর পেটে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে।

তিনি আরও জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে বন্যা ও দুর্যোগকালীন সময়ে খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা এবং গবাদিপশুর সুরক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যাতে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হয়।
বর্ষা মৌসুমজুড়ে গো-খাদ্যের সংকট নিরসনে সরকারি সহায়তা ও সহজলভ্য খাদ্যের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তাড়াশের খামারিরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
২০২৬ @ দৈনিক সত্য প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।